Nutrition (পুষ্টি)

More options for you.


General KnowledgeEnglish GrammarMathIQ-TestQuiz-Test

"The secret of life is honesty and fair dealing. If you can fake that, you've got it made."

― Groucho Marx

আমরা প্রতিদিন যেসব খাদ্য (ভাত, মুড়ি, রুটি ইত্যাদি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য) গ্রহণ করি তা পৌষ্টিক নালীর বিভিন্ন অঙ্গে বিভিন্ন প্রকার এনজাইম বা উৎসেচক দ্বারা পাচিত হয়।
পৌষ্টিক নালীর বিভিন্ন অঙ্গে বিভিন্ন প্রকার এনজাইম বা উৎসেচক দ্বারা খাদ্য যে কয়টি ধাপে পাচিত হয় তা সংক্ষিপ্ত আকারে নিম্নে আলোচনা করা হল।
ধাপগুলো নিম্নরূপঃ

digestive system

প্রথমত খাদ্য মুখবিবরে (Mouth) লালাগ্রন্থি (Salivary Glands) থেকে নিঃসৃত রস টায়ালিনের মাধ্যমে শ্বেতসার মলটোজে পরিনত হয় এবং মলটেজের মাধ্যমে মলটোজ গ্লুকোজে পরিনত হয়ে খাদ্য গ্রাসনালীতে আসে।
গ্রাসনালীতে (Esophagus) কোনপ্রকার পাচন ক্রিয়া সংঘটিত হয় না, অতপর খাদ্য পাকস্থলীতে (Stomach) প্রবেশ করে।
পাকস্থলীতে (Stomach) অক্সিনটিক নামক গ্রন্থি হতে নিঃসৃত হাইড্রক্লরিক (HCl) এসিড দ্বারা খাদ্য আম্লিক (Acitic) হয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে।
আম্লিক খাদ্যকণা ডিওডেনামে প্রবেশ করার পর অগ্ন্যাশয় (Pancreas) থেকে নিঃসৃত অ্যামাইলেজ নামক এনজাইম দ্বারা শ্বেতসার মলটোজে এবং মলটোজ, মলটেজ ও গ্লুকোজে পরিনত হয়ে খাদ্য ইলিয়ামে প্রবেশ করে।
খাদ্য ইলিয়ামে প্রবেশ করার পর আন্ত্রিক গ্রন্থি (Intestinal glands) থেকে নিঃসৃত এনজাইম সুক্রেজ এর মাধ্যমে পাচিত হয়ে সুক্রোজ গ্লুকোজ ➕ ফুকটোজ = ল্যাকটোজে পরিনত হয়, অতপর আন্ত্রিক গ্রন্থি (Intestinal glands) থেকে নিঃসৃত ল্যাকটেজ নামক এনজাইম দ্বারা পাচিত হয়ে ল্যাকটোজ গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোজে পরিনত হয়।
এভাবে পৌষ্টিক তন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গে বিভিন্ন প্রকার এনজাইম বা উৎসেচক দ্বারা খাদ্য পাচিত হয়ে শেষে বৃহদান্ত্রে (Large Intestine) গিয়ে জমা হতে থাকে এবং ইলিয়ামের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভিলাই দ্বারা গ্লুকোজ (C6H12O6) শোষিত হয়।
অতএব, এভাবে খাদ্য গ্রহনের মাধ্যমে জীবদেহে পুষ্টি সাধিত হয়।
প্রানীদেহে পুষ্টি সম্পন্ন হয় মোট পাঁচটি ধাপেঃ
i) খাদ্যগ্রহণ (Ingestion)
ii) খাদ্য পরিপাক (Digestion)
iii) শোষণ (Absorption)
iv) আত্তীকরণ (Assimilation)এবং
v) বহিষ্করণ (Egestion)



পুষ্টির সংজ্ঞা (Definition of Nutrition) যে প্রক্রিয়ায় জীব পরিবেশ থেকে বিভিন্ন খাদ্য উপাদান গ্রহন করে সেই খাদ্যকে কোষের অভ্যন্তরীণ প্রোটোপ্লাজমে অঙ্গিভূত করে, জীবনের শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া সমুহ সম্পন্ন করে ও দেহের স্বাভাবিকতা বজায় রাখে তাকে পুষ্টি (Nutrition) বলে ।
জীবদেহে পুষ্টি অনেক গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে থাকে।

পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা (Importance of Nutrition) জীবদেহ পুষ্টির মাধ্যমে খাদ্যকণার আবদ্ধ স্থিতিশক্তিকে, দেহে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তরিত করে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কার্যপ্রণালী সম্পন্ন করে থাকে।
পুষ্টির মাধ্যমে জীবদেহে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
প্রানীদেহে তাপ উৎপাদনে এবং তাপমাত্রার স্বাভাবিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে পুষ্টির ভূমিকা অপরিসীম।
সর্বপোরি জীবদেহে বৃদ্ধি, গঠন এবং ক্ষয়পূরনে পুষ্টির ভূমিকা অপরিসীম।

আমরা অপর পৃষ্টায় Excretion বা রেচন সম্মন্ধে আলোচনা করব।




More options for you.


General KnowledgeEnglish Grammar, ,  MathIQ-TestQuiz-Test